আমার বন্ধু তুফাজ্জেল
আমার বন্ধু তুফাজ্জেল। বন্ধু আমার উচ্চ লেভেলের বিড়ি খোর। বিড়ি খাইতে খাইতেই ঘুমায়, ঘুমতে উইঠাই বিড়ি ধরায়। সকালে ছাঁই, কয়লা কিছুই তার লাগে না। বিড়ির শেষ অংশ, বিড়িখোরদের ভাষায় 'বিড়ির পুটকি'। সেইটাই নাকি সব থেকে বড় মাপের, আধুনিক মানের দাঁত মাজুনি।
বন্ধু বলে, --'তুলা আসে এইডার পুটকির তে, তুলা দিয়া দাঁতে ডলা মারলেই সব ময়লা, জীবাণু একলগে লেইপ্পা যায়গা দাঁত এর লগে। হের পর পানি দিয়া কুলি কইরা, পুত কইরা বাইরে মারলেই হেইডি আবার মুহের তে বাইরে যায়গা।'
এই ছবিটা তুলা ১৯৮১ সালে, সেইদিন আমাদের গ্রামে মেলা হচ্ছিলো।
আমি বললাম, মেলায় যাবি নি?
বন্ধু - হ, ল হাঁটা দে।
আমি - এই ফুডা সেন্টু পইরা যাবি তুই?
বন্ধু - হ, শাউয়ামারানি বিড়ির আগুন লাইগা সব ফুডা। এই সেন্টুটা আসে যেইডা কম ফুডা হইসে।
আমি - লুঙ্গিটা পাল্টায় আয়, যেই বড় ফুডা করসত পাছার চামড়া বাইরায়া আইতেসে।
বন্ধু - চুদামারা, তুই যা তুই তর মেলায়। আমি এইনে বইয়া বাল হালাই।
আহা, কত স্মৃতি আমার বন্ধুর সাথে। বন্ধু এখন BBA শেষ করে ফেলেছে। ফুডা জামা পরিবর্তন করেছে, কিন্তু ইংরেজি উচ্চারণ তার ফুডা হওয়া সেন্টু গেঞ্জির তে বাজে অবস্থা। থাক গা, সেই খবর অবশ্য আমি একলাই জানি।
তার ইংরেজী গল্প না হয় পরের পর্বে বলবো।
আই লাভ ইউ বন্ধু